৪১। পাখির পালক

খেলা ধুলো! সব রহিল পড়িয়া
ছুটে চলে আসে মেয়ে_ বলে তাড়াতাড়ি “ওমা, দেখ, দেখ,
কী এনেছি দেখ. চেয়ে ”

আখির পাতায় হাসি চমকায়,

ঠোটে নেচে ওঠে হাসি,
হয়ে যায় ভূল বাঁধেনাকে। চুল,

খুলে? পড়ে কেশরাশি।
ছুটি হাত তার ঘিরিয়। ঘিরিয়া

রাঙা চুড়ি কয়গাছি,
করতালি পেয়ে বেজে ওঠে তারা

কেঁপে ওঠে তারা নাচি? ।
মায়ের গলায় বাহু ছুটি বেঁধে

কোলে এসে বসে মেয়ে ।
বলে তাড়াতাড়ি–“ওমা, দেখ. দেখ.

কী এনেছি দেখ, চেয়ে ॥”

সোনালী রঙের পাখির পালক

ধোয়া সে সোনার আ্রোতে,
খসে এল যেন তরুণ আলোক

অরুণের পাখ। হতে ;
নয়ন-ঢুলানো কোমল পরশ

ঘুমের পরশ যথা,
মাখা যেন তায় মেঘের কাহিনী

নীল আকাশের কথা ।

ছোটোখাটো নীড় শাবকের ভিড়,

কতমতো। কলরব,
প্রভাতের স্থখ, উড়িবার আশা,

মনে পড়ে যেন সব
লয়ে সে-পালক কপোলে বুলায়,

আখিতে বুলায় মেয়ে,
বলে হেসে হেসে “ওমা, দেখ, দেখ,

কী এনেছি দেখ. চেয়ে

মা দেখিল চেয়, কহিল হাসিয়ে

“কী বা জিনিসের ছিরি ।’
মিতে ফেলিয়া গেল সে চলিয়া

আর ন। চাহিল ফিরি?।
মেয়েটির মুখে কথা না ফুটিল

মাটিতে রহিল বসি? ।
শুন্য হতে যেন পাখির পালক

ভূতলে পড়িল খসি”।
খেলাধুল। তার হোলোনাকো। আর,

হাঁসি মিলাইল মুখে,
ধীরে ধীরে শেষে ছুটি ফোট। জল

দেখ! দিল ছুটি চোখে ।

পালকটি লয়ে রাখিল লুকায়ে
গোপনের ধন তার,

আপনি খেলিত আপনি তুলিত
দেখাত না কারে আর ॥


Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *